দৌলতপুর রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুল প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

দৌলতপুর রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক স্কুল প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট :

মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার ৩৮নং রামচন্দ্রপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে।

জানা গেছে, উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা শায়লা ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে যোগদানের পর ক্ষুদ্র মেরামত, স্লিপ, প্রাক-প্রাথমিক, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার রুটিন তৈরি ও খেলাধুলা বাবদ সরকারী বরাদ্দকৃত টাকার একাংশ আত্মসাৎ, নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে যাওয়া দুটি বড় ঘরের টিন, লোহার অ্যাঙ্গেল, জানালা, দরজা, ইটসহ নানা সামগ্রী দরপত্র ছাড়াই বিক্রি করে। শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দকৃত খাদ্যের সঠিক বন্টন না করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া, শিক্ষক নিয়ে ভুঁরিভোজ, ক্লাস রুমে ঘুমানো, সময় মত শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে না আসা এবং ছুটির সময়ের আগেই চলে যাওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও অভিভাবকরা ইতিমধ্যেই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয় বিউটি বেগম অভিযোগে জানান, বর্তমান প্রধান শিক্ষকের অদক্ষতা ও অযোগ্যতার কারণে অন্য শিক্ষকরা নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসেন না। কিছু শিক্ষক ক্লাসরুমে রান্না করে খান। এরা আরাম-আয়েশ করে ক্লাসরুমে ঘুমান। শিক্ষকদের এমন কর্মকান্ডে পাশ^বর্তী অনেকেই এ বিদ্যালয় ছেড়ে অন্যত্র চলে যাচ্ছে।
প্রধান শিক্ষক রাজিয়া সুলতানা শায়লা জানান, তিনি আসার আগে এ বিদ্যালয়ের নানা বিষয় খারাপ ছিল। এসব উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছি এবং এখনো কাজ করে যাচ্ছি। এসকল কারণে অনেকেই তার উপর রুষ্ঠ। অভিযোগকারী গত বুধবার তার বিষয়ে আনা অভিযোগ উঠিয়ে নিয়েছেন।

উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার মাসুদ করিম জানান, গত ১৯ জুন বেলা পৌনে এগারোটার দিকে বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে কোনো শিক্ষকের উপস্থিতি পাইনি। এছাড়া, নদী ভাঙ্গনের কারণে বিদ্যালয়ের দুটি টিনের ঘরের হদিস পাইনি।
উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, এ উপজেলার বহু স্কুল নদী সিকস্তি এলাকায় হওয়ার কারণে শিক্ষকদের আসা যাওয়ার সময় ঠিক থাকে না। তা সত্ত্বেও উক্ত বিদ্যালয়ের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে।