বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে শিক্ষককে দায়িত্ব পালনে বাঁধা


স্টাফ রিপোর্টার
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার নয়াবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক মেডিক্যাল ছুটির পর কাজে যোগদান করে হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করলেও কাজ বুঝিয়ে না দিয়ে নানা টালবাহানা করেছেন প্রধান শিক্ষক। সিনিয়র সহকারী মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড বিদ্যালয় পরিদর্শক বরাবর অভিযোগ করেন। এ নিয়ে ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম দুই সপ্তাহ মেডিক্যাল ছুটি কাটিয়ে বৃহস্পতিবার সকালে কাজে যোগদান করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে সহকারী প্রধান শিক্ষক শাহজাহান মোল্লা তাকে দায়িত্ব না বুঝিয়ে দিয়ে বিভিন্ন অজুহাত তুলে ধরেন। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষক না বললে তাকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেয়া হবে না এমনকি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়ন, কক্ষ পরিদর্শকের দায়িত্বও দেয়া হবে না।
শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানান, আমি শারীরিক অসুস্থার কারণে গত ৫ থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত মেডিক্যাল লীপে ছিলাম। ২০ জুলাই কাজে যোগদান করলেও দায়িত্ব বুঝিয়ে দিচ্ছেন না প্রধান শিক্ষক। বিজ্ঞ আদালত গত ১০ জুলাই প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন গংদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার দরখাস্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আমার বিরুদ্ধে কোন ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অদৃশ্য ক্ষমতার বলে গত ২০ জুলাই বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের ১৪ নং সভায় আমার বিরুদ্ধে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে কিছু সিদ্ধান্ত নেন। যার মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হচ্ছে, আমাকে শ্রণি কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা, যাবতীয় অর্থনৈতিক কার্যক্রম থেকে বিরত রাখা, আমার দায়িত্ব অন্য একজন সহকারী শিক্ষককে প্রদান করা, বিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত আমার বেতন ভাতা স্থগিত রাখা।
প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন কাজের ব্যস্ততা দেখিয়ে সাংবাদিকদের সাথে এ বিষয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।