শিবালয়ে অপচিকিৎসার আপোষ-মিমাংসা !

শিবালয়ে অপচিকিৎসার আপোষ-মিমাংসা !

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট :

শিবালয় উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কর্মরত উপ-সহকারী কমিউটিনিটি মেডিক্যাল অফিসার-স্যাকমো হাবিবুর রহমান ভাদুরীর হাতে কিশোর রোগী সাব্বির (১২) গলায় অবৈধ ও জটিল অপারেশনের ঘটনা থামাচাপা দিতে অবশেষে মিমাংসা করা হয়েছে।

গত ১৯ মে উথলী আল এহসান ডায়াগনষ্টিক সেন্টারে এ অবৈধ অপারেশন করা হয়। এ সেন্টার পরিচালক ফারুক হোসেন আজ ৮ জুন দুপুরে সাংবাদিকদের জানান, স্যাকমো ভাদুরী ও রোগীর আত্মীয় স্বজনরা উক্ত অপচিকিৎসার বিষয়টি মিমাংসা করেছেন। তবে, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ফজলে বারী জানান, স্যাকমো হাবিবুর রহমান ভাদুরী কোন প্রকার অপারেশন করতে পারেন তার এমন কোন অনুমতি নেই।

জানা গেছে, মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার পারুলিয়া গ্রামের শহিদুলের কিশোর পুত্র সাব্বির গলায় জটিল রোগে আক্রান্ত হয়। তার চিকিৎসার জন্য আত্মীয় স্বজনরা উথলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনে। মালুচী উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিযুক্ত হলেও উথলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেসনে কর্মরত স্যাকমো ভাদুরী এ সুযোগে উক্ত রোগীর চিকিৎসার নামে স্থানীয় উথলী আল এহসান ডায়াগনস্টিক সেন্টারে আনে। অথচ, ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অপারেশন থিয়েটারসহ কোন প্রকার সুযোগ সুবিধা না থাকলেও ভাদুরী নিজেই রোগীর গলায় অস্ত্র প্রচার করে। রোগীর গলায় জটিল অপারেশনের এক পর্যায়ে অতিরিক্ত রক্ত ক্ষরণে অবস্থার মারাত্মক অবনতি ঘটে। মরণাপন্ন অবস্থা সৃষ্টি হলে আত্মীয় স্বজন রোগীকে দ্রুত মানিকগঞ্জ নেয়ার কথা বলে।

স্যাকমো ভাদুরী ও আল এহসান পরিচালক ফারুক হোসেন রোগীকে মানিকগঞ্জ আল মদিনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেও অবস্থার পরিবর্তন না হওয়ায় সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সংবাদকর্মীরা উথলী আল এহসান ডায়গনস্টিক সেন্টারে খবর নিতে গেলে ল্যাব সহকারী সবুজ মিয়া জানান, স্যাকমো ভাদুরীর এখানে উক্ত রোগীর অপারেশন করলেও তার কোন কাগজপত্র নেই।

স্যাকমো ভাদুরী জানান, গলায় অপারেশনের রোগী আমার আত্মীয়। চিকিৎসার খরচ প্রদানসহ তাদের সাথে আপোষ মিমাংসা হয়েছে।