শিবালয়ে শিক্ষানিলয় প্রি-ক্যাডেট স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া অনুষ্ঠিত

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট ॥
মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার উথলী শিক্ষানিলয় প্রি-ক্যাডেট স্কুলের একবিংশ বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ অনুষ্ঠিত হয়। উথলী স্পোর্টিং এসোসিয়েশন মাঠে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথি ছিলেন শিবালয় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জাকির হোসেন।
বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী ইমি নূরজাহানের নেতৃত্বে অতিথি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবকদের অংশগ্রহণে জাতীয় সংগীত ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় পতাকাকে সালাম প্রদর্শন শেষে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা উদ্বোধন করেন অত্র বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউনুস আলী।
শিবালয় সহকারী অফিসার শিক্ষা অফিসার আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেসার্স নাভান এন্টাপ্রাইজ স্বত্বাধিকারী মো. আলিমুদ্দিন, শিবালয় উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি বাবুল আকতার মঞ্জুর, বিশিষ্ট সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠক ও এসএমসি সদস্য দ্বিব্যেন্দু কুমার বাবু, আরিফুর রহমান, স্কাউট লিডার আশরাফ্জ্জুামান তুলন।
প্রধান অতিথি মো. জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো ফলাফল যেমন জরুরী তেমনই মানুষ হওয়াও জরুরী। পরীক্ষায় অসৎ উপায় অবলম্বনের আর সময় নেই। সুস্থ্য থাকার জন্য নিয়মিত খেলাধুলা চর্চা করা উচিত।
বিশেষ অতিথি দ্বিব্যেন্দু কুমার বাবু বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা করা খবই প্রয়োজন। খেলাধুলা করলে শরীর ও মন ভালো থাকে এবং শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে সুনারগিক হিসেবে গঠে ওঠবে।
বিশেষ অতিথি আরিফুর রহমান বলেন, খেলাধুলা শিক্ষার্থীদেরকে মাদক থেকে রক্ষা করবে। যেসকল শিক্ষার্থীরা নিয়মিত খেলাধূলা করলে মাদক থেকে দুরে থাকতে পারবে।
বিশেষ অতিথি বাবুল আকতার মঞ্জুর বলেন, খেলাধুলা করলে শিক্ষার্থীরা শৃঙ্খলা শেখে। জয়ে আনন্দ করতে এবং পরাজয় মানতে শেখে। তাই, পড়াশোনার পাশাপাশি নিয়মিত খেলাধুলা করা উচিত।
প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইউনুস আলী জানান, এ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের খেলাপড়ার পাশাপাশি খেলাধূলা চর্চার জন্য দীর্ঘ ২১ বছর যাবত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার প্রদানের ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে।  বিজয়ীদের পাশাপাশি অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে পুরুষ্কার প্রদান করা হয়। শিক্ষার্থীরা দৌড়, মোরগ লড়াই, চেয়ারসিটিং, টেনিস বল নিক্ষেপ, বিস্কুট দৌড়, যেমন খুশি সাজো, পুরুষ অভিভাবক ঝুড়িতে বল নিক্ষেপ ও নারী অভিভাবক বালিশ খেলায় অংশ নেন। এছাড়া, কেউ কেউ নৃত্য, একক অভিনয় করে। অতিথিগণ জয়ী-বিজয়ী সকল অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীকে পুরস্কার দেন।