ঈদে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে যাত্রী ভোগান্তির আশঙ্কা

শহিদুল ইসলাম ॥
আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘœ করতে স্থানীয় প্রশাসন স্পর্শকাতর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ও আরিচা-কাজীরহাট নৌ-রুটে নানা প্রস্ততি গ্রহণ করলেও দুর্ভোগের আশঙ্কা রয়েছে। যাত্রী নিরাপত্তা, শৌচাগার নির্মাণ, যানবাহন নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন দিক বিবেচনায় অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার, আর্মড পুলিশ, স্বেচ্ছাসেবক, ভ্রাম্যমান আদালত, মেডিক্যাল টিম কাজ করছে।
জানা গেছে, পদ্মা-যমুনায় প্রবল ¯্রােত এরিয়ে ঘুর পথে ফেরি চলাচল করায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় হচ্ছে। কমছে ফেরির স্বাভাবিক ট্রিপ সংখ্যা। প্রায়শই বিকল হয়ে পড়ছে ফেরি। এতে যানবাহন পারাপারে সংখ্যা কম হওয়ায় উভয় ঘাটে দীর্ঘ যানজটে ভোগান্তি বাড়ছে।
আরিচাস্থ বিআইডব্লিউটিসি ও টিএ কর্মকর্তারা জানান, বহরে ১৭টি ফেরি, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ২১টি ও আরিচা-কাজীরহাট রুটে নয়টি লঞ্চ যোগে যাত্রী পারাপার করা হবে। এছাড়া, কাজীরহাটে স্পিডবোট ও ইঞ্জিন চালিত নৌকায় যাত্রী পারাপারের প্রস্তুতি রয়েছে। পদ্মায় প্রবল ¯্রােত ও ঢেউয়ের কারণে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পাটুরিয়া ঘাটে ‘মধুমতি’তে বিআইডব্লিউটিসি’র ভাসমান কারখানায় বিকল ফেরি বারবার জোড়া-তালী দিয়ে মেরামত করা হচ্ছে। এ বিষয়ে একশ্রেণির কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে মোটা টাকা আত্মসাত করার অভিযোগ রয়েছে। তবে কর্মকর্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
ফেরি সংস্থার ডিজিএম মোঃ আজমল হোসেন জানান, ঈদের চাপ সামাল দিতে ফেরির সংখ্যা বৃদ্ধি করা হচ্ছে। যাত্রী দুর্ভোগ লাগবে ঈদের আগে-পরে ৩দিন পণ্যবাহী ট্্রাক-লড়ী পারাপার বন্ধ থাকবে।
এদিকে সরজমিনে দেখা গেছে, উভয় ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকা যানবাহনের মধ্যে পশুবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেশি। এ কারণে দৌলতদিয়ায় ফেরি পারের পরিবর্তে নৌকায় গরু-ছাগল এনে আরিচা থেকে ট্রাকযোগে রাজধানীসহ বিভিন্ন হাটে নেয়া হচ্ছে। এছাড়া, তুলনামূলকভাবে গরু, ছাগলের দাম কম হওয়ায় আরিচা গরুর হাটে কোরবানীর পশুর ক্রেতা ক্রমেই বাড়ছে।