ঈদে প্রশাসনের প্রস্ততি

ঈদে প্রশাসনের প্রস্ততি
পাটুরিয়া আরিচায় ঘরমুখো যাত্রীদের স্বস্তির
শহিদুল ইসলাম ॥ রবিবার চাঁদ দেখা গেলে সোমবার ঈদ। মানুষ ছুটছে নাড়ির টানে। বাস, লঞ্চ-ফেরিতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভীড়। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত পাটুরিয়া ঘাট থেকে ১৯টি ফেরি, ৩৬টি লঞ্চ যোগে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হচ্ছে নির্বিঘেœ। স্থানীয় প্রশাসনের আগাম প্রস্ততি থাকায় ঘাট এলাকায় ভোগান্তী অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। এতে যাত্রীসাধারণসহ ঘাট সংশ্লিষ্টরা কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। শনিবার সকালে ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক। এ সময় ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে ব্যস্ততম পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট সরেজমিন দেখা গেছে, পাটুরিয়া পুলিশ কন্ট্রোলরুম থেকে শুরু করে ফেরি সংযোগসড়কের প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ যানবাহনের লাইল থাকলেও দু’ঘন্টা পর চিত্র পাল্টে যায়। মাইক্রোবাস-জিপ ও কার বিকল্প রাস্তায় এসে সহজেই ফেরি পার হয়। যানজট এড়াতে লঞ্চ পারাপারের পরিবহনের যাত্রীরা টারমিনাল থেকে অধাকিলো হেঁটে লঞ্চে উঠছে। কিন্তু কতক লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দৃশ্য চোখে পড়ে। ঘাটে কর্মরত কর্তাব্যক্তিরা বলেন, লঞ্চে যাত্রীচাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃস্টি হচ্ছে। দুর্ঘটনা এড়াতে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ফেরি সংস্থা বিআইডব্লিউটিসি কর্মকর্তাগণ জানান, ঈদে যানবাহনের বাড়তি চাপ সামাল দিতে বহরে নতুন করে আরোও চারটি ফেরি সংযুক্ত হওয়ায় যানবাহন পারাপারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাটুরিয়া প্রান্তে ৪টি ঘাট সচল থাকলেও পদ্মায় গত কয়েকদিনে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি ও ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় দৌলতদিয়ায় ১টি ঘাট বন্ধ রয়েছে। এতে করে ফেরিতে যানবাহন লোড-আনলোডে কিছুটা বিঘœ ঘটছে। ঘাট সংশ্লিষ্ট বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা ঈদের আগে দৌলতদিয়া প্রান্তের বন্ধ ঘাটটি খুলে দেয়ার ঘোষণা দিলেও যথাসময়ে তা চালু না হওয়ায় ভূক্তভোগী মহলে দারুন ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই আরিচা-কাজিরহাট রুটেও ঘরমুখো যাত্রীদের ভীর ছিল লক্ষ্যনীয়। যাত্রীরা লঞ্চ-স্পিডবোট ও ইঞ্জিনচালিত নৌকায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এ সকল যানবাহনের অসাধু মালিক-শ্রমিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠে।
ঈদ উপলক্ষে ঘাটে নিয়োজিত নৌ-পরিবহনের দায়িত্ব প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বদরুল হাসান লিটন জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটের লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রীবহন, ফেরির ক্যান্টিনে নি¤œমানের খাবার পরিবেশনের দায়ে গত তিন দিনে ৭টি মামলা দায়েরসহ ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বিপিএম জানান, যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তায় ঘাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ ভ্রাম্যমান আদালত কাজ করছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। পোষাক ও শিল্পকারখানা ছুটি হওয়ায় এ রুটে যানবাহন ও যাত্রীচাপ বৃদ্ধির আশংকা থাকলেও পরিস্থিতি সামল দিতে অগ্রীম প্রস্ততি নেয়া আছে। ঈদে প্রশাসনের প্রস্ততি
পাটুরিয়া আরিচায় ঘরমুখো যাত্রীদের স্বস্তির
শহিদুল ইসলাম ॥ রবিবার চাঁদ দেখা গেলে সোমবার ঈদ। মানুষ ছুটছে নাড়ির টানে। বাস, লঞ্চ-ফেরিতে ঘরমুখো মানুষের উপচে পড়া ভীড়। দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে খ্যাত পাটুরিয়া ঘাট থেকে ১৯টি ফেরি, ৩৬টি লঞ্চ যোগে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার হচ্ছে নির্বিঘেœ। স্থানীয় প্রশাসনের আগাম প্রস্ততি থাকায় ঘাট এলাকায় ভোগান্তী অনেকটা হ্রাস পেয়েছে। এতে যাত্রীসাধারণসহ ঘাট সংশ্লিষ্টরা কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। শনিবার সকালে ঘাটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডর এম মোজাম্মেল হক। এ সময় ঘাট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শনিবার দুপুরে ব্যস্ততম পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট সরেজমিন দেখা গেছে, পাটুরিয়া পুলিশ কন্ট্রোলরুম থেকে শুরু করে ফেরি সংযোগসড়কের প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ যানবাহনের লাইল থাকলেও দু’ঘন্টা পর চিত্র পাল্টে যায়। মাইক্রোবাস-জিপ ও কার বিকল্প রাস্তায় এসে সহজেই ফেরি পার হয়। যানজট এড়াতে লঞ্চ পারাপারের পরিবহনের যাত্রীরা টারমিনাল থেকে অধাকিলো হেঁটে লঞ্চে উঠছে। কিন্তু কতক লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত যাত্রী বহনের দৃশ্য চোখে পড়ে। ঘাটে কর্মরত কর্তাব্যক্তিরা বলেন, লঞ্চে যাত্রীচাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃস্টি হচ্ছে। দুর্ঘটনা এড়াতে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে।
ফেরি সংস্থা বিআইডব্লিউটিসি কর্মকর্তাগণ জানান, ঈদে যানবাহনের বাড়তি চাপ সামাল দিতে বহরে নতুন করে আরোও চারটি ফেরি সংযুক্ত হওয়ায় যানবাহন পারাপারের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাটুরিয়া প্রান্তে ৪টি ঘাট সচল থাকলেও পদ্মায় গত কয়েকদিনে অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি ও ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় দৌলতদিয়ায় ১টি ঘাট বন্ধ রয়েছে। এতে করে ফেরিতে যানবাহন লোড-আনলোডে কিছুটা বিঘœ ঘটছে। ঘাট সংশ্লিষ্ট বিআইডব্লিউটিএ কর্মকর্তারা ঈদের আগে দৌলতদিয়া প্রান্তের বন্ধ ঘাটটি খুলে দেয়ার ঘোষণা দিলেও যথাসময়ে তা চালু না হওয়ায় ভূক্তভোগী মহলে দারুন ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।
এদিকে, শনিবার সকাল থেকেই আরিচা-কাজিরহাট রুটেও ঘরমুখো যাত্রীদের ভীর ছিল লক্ষ্যনীয়। যাত্রীরা লঞ্চ-স্পিডবোট ও ইঞ্জিনচালিত নৌকায় গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। এ সকল যানবাহনের অসাধু মালিক-শ্রমিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলে অভিযোগ উঠে।
ঈদ উপলক্ষে ঘাটে নিয়োজিত নৌ-পরিবহনের দায়িত্ব প্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বদরুল হাসান লিটন জানান, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটের লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রীবহন, ফেরির ক্যান্টিনে নি¤œমানের খাবার পরিবেশনের দায়ে গত তিন দিনে ৭টি মামলা দায়েরসহ ৩৭ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বিপিএম জানান, যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তায় ঘাট এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়ানসহ ভ্রাম্যমান আদালত কাজ করছে। সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। পোষাক ও শিল্পকারখানা ছুটি হওয়ায় এ রুটে যানবাহন ও যাত্রীচাপ বৃদ্ধির আশংকা থাকলেও পরিস্থিতি সামল দিতে অগ্রীম প্রস্ততি নেয়া আছে।