পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া রুটে ফেরি স্বল্পতা যাত্রী দুর্ভোগ

শহিদুল ইসলাম ॥
স্পর্শকাতর পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌরুটে ফেরি স্বল্পতার দরুন বিজয় দিবসে গন্তব্যে রওয়ানা দেয়া অসংখ্য যানহান ফেরি পারের অপেক্ষায় উভয় ঘাটে আটকে পড়েছে। এতে, ঘাট এলাকায় যাজটে আটকে পড়া যাত্রীসাধারনস, পরিবহন মালিক-শ্রমিকসহ ঘাট সংশ্লিষ্টরা চরম দুর্ভোগ পোহায়। গতকাল শুক্রবার রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত উভয় ঘাটে পারের অপেক্ষায় যাত্রীবাহী বাস-কোচ, মাইক্রো-প্রাইভেটকারসহ প্রায় দেড় হাজার পণ্যবাহী ট্রাক-লড়ী পারের অপেক্ষায় ছিল। এছাড়া, পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় যানজট এড়াতে অসংখ্য ট্রাক ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথলী মোড় থেকে আরিচামুখী সড়কের দু’ধারে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে।

ফেরি সেক্টর বিআইডব্লিউটিসি আরিচা অফিস সূত্রে জানা গেছে, এরুটে চলাচলকারী বহরের ছোট-বড় ২০ টি ফেরির মধ্যে যান্ত্রীকক্রুটিতে শাহ্জালাল, আমানতশাহ্, ভাষা শহীদ বরকত, বীরশ্রেষ্ট মতিউর রহমান ও গোলাম মাওলা নামে ৫টি রো-রো ফেরি নারায়নগঞ্জ ডকইয়ার্ডে মেরামতে রয়েছে। বাকি ১৫টির মধ্যে বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান চলাচলে অনুপযোগী হওয়ায় ভাসমান কারখানা মধুমতিতে নোঙ্গর করে রয়েছে। সাপ্তাহিক ছুটি ও বিজয় দিবসে এরুটে পারের জন্য আসা বাড়তি পরিবহনের চাপে উভয় প্রান্তে যানজটের সৃস্টি হয়েছে। উর্দ্ধত্বন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে যাত্রী দুর্ভোগ লাগবে পণ্যবাহী ট্রাক-লড়ীর পাশাপাশি যাত্রীবাহী পরিবহন অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার করা হচ্ছে। এতে ঘাটে অপেক্ষামান ট্রাক-লড়ীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ঘাটে আটকে পরা পন্যবাহী ট্রা-লড়ীর চালকরা জানান, এরুটে ফেরি পারের জন্য অপেক্ষার প্রহর যেন কোন ভাবেই শেষ হয় না। একেকটি ট্রাক পারের জন্য দু থেকে তিন দিন পর্যন্ত সিরিয়ালে থাকতে হয়। এছাড়া, বুকিং ও টিকিট কাউন্টারে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ না গুনলে তো কথাই নেই। পাশাপশি রয়েছে ঘাট এলাকায় দায়িত্বে থাকা ট্রাফিক পুলিশের উটকো ঝামেলা। সবমিলিয়ে বাড়তি অর্থের বিনিময়ে ফেরি পার হতে হচ্ছে সকলকে। তবে, এহেন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ঘাট সংশ্লিষ্ট ট্রাফিক পুলিশ ও বুকিং-সিরিয়াল কাউন্টারের দায়িত্বে থাকা কর্তা ব্যক্তিরা।