মানিকগঞ্জের পদ্মা-যমুনায় নিষিদ্ধ সময়েও ইলিশ শিকার চলছে

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট ॥
ইলিশের প্রধান প্রজনন মওসুমে সরকারীভাবে মা’ ইলিশ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও মানিকগঞ্জের পদ্মা-যমুনায় ইলিশ শিকার অব্যাহত রয়েছে। জেলেদের অপতৎপরতায় স্থানীয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ সোচ্চার হলেও তা রোধ করা যাচ্ছেনা। মৎস্য শিকারী ও ক্রেতা-বিক্রেতারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
জানা গেছে, এ মাসের ৭ তারিখ থেকে অভিযান চালিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৩৯ জেলেকে দন্ডিত করা হয়েছে। এ যাবৎ প্রায় ১৫ লাখ ঘনমিটার অবৈধ কারেন্টজাল, অসংখ্য ডিঙ্গী নৌকা ও অন্যান্য সামগ্রী ধ্বংস করা হয়েছে। এদের নিকট থেকে জব্দকৃত প্রায় ২৫ মন ইলিশ বিভিন্ন এতিমখানা-মাদ্রাসাসহ দাতব্য প্রতিষ্ঠান ও দরিদ্রদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, শিবালয়, দৌলতপুর ও হরিরামপুর উপজেলার প্রায় ৬০ কিলোমিটার বিস্তৃত পদ্মা-যমুনা বক্ষে প্রত্যহ বিপুল সংখ্যক ইঞ্জিনচালিত নৌকাযোগে দিনের আলোয় ও রাতের আধারে অবৈধ কারেন্টজালের মাধ্যমে ইলিশ শিকারের উৎসব চলছে। এ কাজে প্রকৃত জেলেরা নিরব থাকলেও মওসুমী জেলেদের তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ধৃত ইলিশ ক্রয়ে আগ্রহী একশ্রেণির লোকজন নদীর পাড় ও পল্লী এলাকায় ভিড় জমাচ্ছে। প্রতি কেজি ইলিশ দুই থেকে তিন’শ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এ অঞ্চলে ইলিশ ভোগীদের মহোৎসব চলছে।
শিবালয় উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা রফিকুল আলম জানান, প্রজনন মওসুমে নদীতে জাল-নৌকা বন্ধ রাখতে ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয়ের অধিনে উপজেলার প্রকৃত জেলেদের মাঝে ২০ কেজি করে চাল বিতরণ সম্পূর্ণ করা হয়েছে। মা’ ইলিশ শিকার রোধে নদীতে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।