মানিকগঞ্জে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা করে বিপাকে যুব মহিলালীগ নেত্রী

শিকদার শামীম আল মামুন ॥
মানিকগঞ্জের বরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে তিনবার পরাজিত প্রার্থী, গোপালপুর গ্রামের আব্দুল ওহাবের ছেলে সাজ্জাদুর রহমান খানের বিরুদ্ধে সাটুরিয়া উপজেলা মহিলা যুবলীগ নেত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত রবিউল ইসলামের মেয়ে রিনা আফরোজা ৫০লক্ষ টাকার চেক জালিয়াতীর মামলা করে বিপাকে আছেন।
শনিবার রিনা আফরোজা দরগ্রামস্থ তার বাসভবনে সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ করে জানান, সাজ্জাদুর রহমান খানের সাথে ঢাকাÑআরিচা মহাসড়কের পাশে কামতা মৌজার আরএস ৯৪৭ নং দাগের ৪৪ শতাংশ জমি ক্রয়-বিক্রয়ের জন্য একটি ব্যবসায়িক ষ্টাম্পিং চুক্তিপত্র সম্পাদিত হয় গত বছর ১৬ মার্চ।চুক্তি মোতাবেক সাজ্জাদুর রহমান খান তার ডাচ-বাংলা ব্যাংকের হিসাব নং ১৭৮.১০১.৫৫৯৫৭ থেকে ৫০লক্ষ টাকার একটি চেক নং এসবি/এ,৩৮৪০০৫১ যাহা ২৭ডিসেম্বর/১৬ রিনা আফরোজা বরাবর প্রদান করে, যেটি নগদায়নের জন্য রিনা আফরোজা সোনালী ব্যাংক দরগ্রাম শাখায় জমা দেয়। সোনালী ব্যাংক চেকটিকে ডাচ বাংলা ব্যাংকের মানিকগঞ্জ শাখায় প্রেরণ করলে সেখান থেকে সাজ্জাদুর রহমানের ওই হিসাব নম্বরে প্রয়োজনীয় টাকা নেই বলে চেকটি ফেরত হয়।
পরবর্তীতে রিনা ঐ টাকা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন লোকদের নিয়ে চেষ্টা করলেও সাজ্জাদুর রহমান সাড়া দেয়নি বিধায় বাধ্য হয়ে মানিকগঞ্জের বিজ্ঞ দায়রা জজ আদালতে মামলা করেন বলে জানান, যার পিটিশন মামলা নং ১৯১/১৭। রিনা আফরোজা সাংবাদিকদের নিকট অভিযোগ করে জানান, সাজ্জাদুর রহমানের সাথে ব্যবসায়িক অংশিদার হতে আমাকে কস্টে টাকা জোগার করতে হয়েছে। ব্যাংক লোন, অলংকার বিক্রী, জমি বিক্রী, ধার দেনা করে লাভের আশায় টাকা বিনিয়োগ করেছি। অথচ আমার টাকাতো দিচ্ছেই না উপরন্তু বিভিন্নভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শ্রণ করে আমাকে বিপাকে ফেলছে। সাটুরিয়া এলাকায় খোজ নিয়ে গেছে, গোপালপুর বাজারের আব্দুল আজীজ সহ বিভিন্ন ব্যক্তি সাজ্জাদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন সময়ে জালিয়াতির মামলা করেছে যাহা বিচারাধীন।পাঞ্জনখাড়া গ্রামের জিলকত হোসেন ও জীবন হোসেন গোপালপুর গ্রামের রুহুল আমীন ও ভিপি শামীম এবং আবুল হোসেন, দরগ্রামের আবুল হোসেন ও বাবুল হোসেন অনেক ব্যক্তি সাজ্জাদুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আদালতে মানবপাচার, অর্থআত্মসাত, ভূমিদস্যুতা সহ বিভিন্ন অপরাধে মামলা দায়ের করেছে যা বিচারাধীন। এব্যাপারে সাজ্জাদুর রহমানের সাথে মোবাইলে কয়েকবার কথা বলতে চাইলেও তিনি ফোন ধরেননি।