মানিকগঞ্জে লকডাউন কার্যকর করতে প্রশাসনসহ বিভিন্ন সংস্থা কঠোর অবস্থানে

 

মোহাম্মদ ইউনুস আলী :

সারাদেশের ন্যায় মানিকগঞ্জেও কঠোর লকডাউন চলছে। বিনা প্রয়োজনে বাহিরে বের হওয়া নিষেধ। কেউ বিনা প্রয়োজনে বের হলে পুলিশের জেরার মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

লকডাউনে যানবাহনসহ মানুষজনের চলাচল নিয়ন্ত্রণে জেলা-উপজেলা প্রশ্সান, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তার, পুলিশ এবং র‌্যাবের ভ্রাম্যমান টিম কাজ করছে। দ্রব্য মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে মানিকগঞ্জ জেলা সকল উপজেলা প্রশাসন তদারকি করছেন।

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্র্যাট এসএমস ফেরদৌস শনিবার সকাল ১১টার দিকে শহরের বিভিন্ন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার, পৌরসভার বিভিন্ন বাজার ও জনসমাগম হয় এরকম স্থান পরিদর্শন করেন।

মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক জনসাধারণকে মাস্ক ব্যবহার করা, সামাজিক দুরুত্ব বজায় রাখা, রমজানে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের দাম স্থিতিশীল রাখাসহ চলমান লক ডাউনে সরকারী নির্দেশনাসমূহ মেনে চলতে সচেতন করেন। এছাড়া, নিদের্শনা অমান্যকারী কয়েকজনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে অর্থদ- প্রদান করেন।

দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তর বাজার মনিটরিং টিম শিবালয়ের আরিচা বাজার মনিটরিং করেন।

এছাড়া, লকডাউনে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ফেরি পারাপার বন্ধ থাকলেও জরুরি পণ্যবাহী গাড়ি, রোগীবাহী অ্যাম্বুলেন্স এবং অতি জরুরি ও রাষ্ট্রীয় কাজে ব্যবহৃত যানবাহন পারাপারে সীমিতভাবে ফেরি চলাচল অব্যাহত রয়েছে।

লকডাউনে মানুষজনকে ঘরে রাখতে পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। মানিকগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তায় কেউ বের হলে তাকে পুলিশের জেরার মুখে পড়তে হচ্ছে। পুলিশ তাদের বাড়িতে অবস্থান করাসহ স্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছেন।

মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার রিফাত রহমান সাংবাদিকদের বলেন, লকডাউন কার্যকর করতে মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। এছাড়া পাটুরিয়া ফেরিঘাটে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনীয় গাড়ি এবং লকডাউন আওতার বাইরে রয়েছে এমন যানবাহন ছাড়া সকাল ৬টার পর থেকে অন্য কোনো যানবাহনই চলতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি প্রয়োজন ছাড়া কাউকে ঘর থেকে বের না হওয়ার আহ্বান জানান।