মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ড. খোন্দকার আকবর হোসেনকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট ॥
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলী-বিএনপি’র প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় পুত্র খন্দকার আকবর হোসেন বাবলুকে তার নিজ বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপি’র কৃষিবিষয়ক সম্পাদক ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু বলেন, সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার বড় ধুলন্ডী গ্রামে তার নবনির্মিত বাড়িতে সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য দাওয়াত দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু পুলিশ তার এই আয়োজন পন্ডকরে দেয়। সেসহ তার স্ত্রী-পুত্রসহ কাজের মেয়েকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু এই আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন চাইবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
পুলিশের এই আচরণকে তিনি মানবাধিকার লঙ্ঘন বলে মনে করেন। তিনি বলেন, আমন্ত্রিত ও বাড়ির লোকজনদের জন্য দুপুরের খাবারের সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে। অথচ খাবার সময় তাদেরকে বাড়ি ছাড়কে বাধ্য করেন পুলিশ।
এটি কোনো রাজনৈতিক সভা, সমাবেশ ছিল না। সাংবাদিকদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে পুলিশের বাঁধা, এটি চরম অন্যায়। এটি কি মানবাধিকার পরিপন্থী নয়?
তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডিএসবি থেকে ফোনে তার কাছে জানতে চায় তার বাসায় কী অনুষ্ঠান। তিনি বলেন, বাড়িতে সাংবাদিকদের দাওয়াত করেছেন। এরপর একে একে মানিকগঞ্জ থেকে ডিবি পুলিশ, ঘিওর থেকে থানা পুলিশ তার বাড়িতে যায় এবং দুপুর ১২টার দিকে তারা তাকে বাড়ি থেকে বের হয়ে যেতে বলেন। একপর্যায়ে তাকে ডিবি পুলিশের মাইক্রোবাসে বসিয়ে রাখা হয়। কিছুক্ষণ আটক রাখার পর তাকে ছেড়ে দেয় এবং মানিকগঞ্জ থেকে চলে যেতে বাধ্য করে।
মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব চক্রবর্তী বলেন, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় ছেলে খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু প্রেসক্লাবের সদস্যদের দাওয়াত করেছিলেন।
মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, গোয়েন্দা সূত্রে তারা জানতে পেরেছেন খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু তার বাড়িতে সভা করবেন এবং ঢাকা আরিচা মহাসড়ক অবরোধ করবেন। জনস্বার্থে পুলিশ কর্তৃপক্ষ তাকে অনুষ্ঠান করতে নিষেধ করেছেন।
উল্লেখ্য, খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর পিতা প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং জাতীয় সংসদের চীফ হুইপের দায়িত্ব পালন করেন। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করেছেন।