শপিংমল খোলার কারণে পাটুরিয়ায় ঘাটে যাত্রীচাপ বেড়েছে

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট

দোকানপাট ও শপিংমল খোলার খবরে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চের ২১ জেলার সাধারণ যাত্রীরা নিজ কর্মস্থল ঢাকাসহ অন্যান্য জায়গায় ফিরার কারণে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় দেখা যায়, দৌলতদিয়া ঘাট থেকে কয়েকটি জরুরি পণ্যবাহী ট্রাক দূরপাল্লার বাস ও গণপরিবহন বন্ধ থাকার কারণে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীদের।

গন পরিবহন না থাকায় বাধ্য হয়েই তারা অতিরিক্ত টাকা ভাড়া দিয়ে প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, সিএনজিতে করে ঢাকাসহ বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছেন। পাটুরিয়া থেকে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারে নবীনগর জনপ্রতি ৩০০ টাকা, গাবতলী ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা করে গুনতে হচ্ছে। স্বাস্থ্য বিধি উপেক্ষা গাদাগাদি করে প্রাইভেটকারে যাচ্ছেন তারা। ঘাট এলাকায় যাত্রীদের মাঝে সামাজিক দূরত্ব মানা হ্েচ্ছ না।

ঢাকামুখী যাত্রী আবজাল খান জানান, তিনি ঢাকায় একটি শপিংমলে চাকরি করেন। লকডাউনের খবরে তিনি ১৩ এপ্রিল ঢাকা থেকে ঝিনাইদাহ গ্রামের বাড়ি চলে যান। রবিবার থেকে দেশের সকল শপিংমল খোলার খবরে ঢাকায় যাচ্ছেন। বাস বন্ধ থাকায় ৫০০ টাকা দিয়ে প্রাইভেটকারে করে ঢাকায় যাচ্ছেন তিনি। আরেক যাত্রী বলেন ২/৩ গুন টাকা বেশি ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে কারণ সামনে ঈদ এখন না গেলে ব্যবসা হবে না।

একাধিক প্রাইভেটকার চালকের সাথে কথা বলে জানা জায়, পাটুরিয়া থেকে গাবতলী পর্যন্ত প্রত্যেক যাত্রী কাছ থেকে ভাড়া বাবদ নেওয়া হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। তাদের দাবি তাদের গাড়ি ছোট। গাড়িতে মাত্র ৪/৫ জন যাত্রী নিতে পারেন তারা। তাই বেশি ভাড়া নিচ্ছেন।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান জানান, করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ মেনে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন-অ্যাম্বুলেন্স, লাশবাহী গাড়ি ও পণ্যবাহী ট্রাক পারাপারে তিনটি ফেরি এ নৌপথে চলাচল করছে। শপিংমল খোলার খবরে ফেরিতে করে ঢাকামুখী কিছু যাত্রী পারাপার হচ্ছে।