শিবালয়ে আ গ স উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট ॥
শিবালয়ে ‘উপজেলা কেন্দ্রীয় আব্দুল গণি সরকার উচ্চ বিদ্যালয়ে’ এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ ও বিশেষ কোচিংয়ের নামে অতিরিক্ত টাকা নেয়া সত্ত্বেও খোদ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কোচিং বাণিজ্য ও অন্যান্য অভিযোগের কারণে শিক্ষার্থী অভিভাবক ও সচেতন মহলে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, আসন্ন এসএসসি পরীক্ষায় এ বিদ্যালয়ের ২৪৮ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে। টেস্ট পরীক্ষায় সকল বিষয়ে উত্তীর্ণ ৯৩ জন এবং ইংরেজি ও গণিতে দূর্বল এমন ছাত্রসহ ১৯৯ শিক্ষার্থীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ২ হাজার ৫৫০ টাকা হারে নেয়া হয়।
কিন্তু, প্রধান শিক্ষক মোঃ ইউসুব আলী এ সিদ্ধান্ত পাশ কাটিয়ে এসএমসি’র কতিপয় সদস্যের যোগসাজসে ৪৯ জনকে পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়ার নামে ৪/৫ হাজার টাকা হারে হাতিয়ে নেয়। উক্ত প্রধান শিক্ষক তার পছন্দের ২/৩ জন শিক্ষক দিয়ে ইংরেজি ও গণিত বিষয় পড়ানোর কথা বলে প্রত্যেকের নিকট থেকে কৌশলে আরোও দু’হাজার টাকা হারে হাতিয়ে নেয়ার পাঁয়তারা চালায়। অনেকেই এ ফাঁদে পড়তে রাজি না হওয়ায় তিনি নানা ভয়ভীতি দেখাচ্ছেন। সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণি কক্ষে এহেন কোচিং বাণিজ্য চালিয়ে মোটা টাকা হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে। এ কারণে যথা সময়ে আসা সাধারণ শিক্ষার্থীরা শ্রেণি কক্ষে ঢোকার সুযোগ না পেয়ে যত্রতত্র অবস্থান করায় নানা অবাঞ্চিত ঘটনা ঘটছে। এতে, শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
ভূক্তভোগীরা জানায়, বর্তমানে প্রায় ১২শ’ শিক্ষার্থীর ঐতিহ্যবাহী এ প্রতিষ্ঠানে দেড় বছর আগে প্রধান শিক্ষক পদে যোগদানকারী ইউসুব আলী এসএমসি’র বহু সিদ্ধান্ত অমান্য, শিক্ষকমন্ডলীর অনুরোধ-পরামর্শ উপেক্ষা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও অভিভাবকদের মতামত-সুপারিশ অগ্রাহ্য করে আসছেন। তার চরম স্বেচ্ছাচারিতার কারণে সংশ্লিষ্ট মহল ও জনমনে দারুন ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
প্রধান শিক্ষক ইউসুব আলী জানান, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি-এসএমসি’র কতিপয় সদস্যের দলা-দলীর কারণে এমন অভিযোগ উঠেছে। সদস্যদের সুপারিশে অতিরিক্ত শিক্ষার্থীদের ফরম পূরনের সুযোগ দেয়া হয়েছে।