শিবালয়ে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর অভিযোগে ১৩ তরুন আটক অভিভাবকের মুচলেকায় ছাড়

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট ॥
শিবালয়ে মহাসড়কসহ বিভিন্ন লিং রোডে বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালকদের কারনে পথচারীরা ত্যাক্তবিরক্ত হয়ে উঠেছে। এসব মোটরসাইকেল চালকদের প্রতিরোধ ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে এবার মাঠে নেমেছে পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে মহাসড়কের বোয়ালী ব্রিজের উপর থেকে মোটরবাইকসহ এমন ১৩ তরুণকে আটক করে পুলিশ।

খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত কয়েক বছরের তুলনায় করোনা কালীন এ সময়ে শিবালয় ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় মোটরসাইকেলে ব্যবহার সংখ্য বেড়েছে। যা মধ্যে লেটেস্ট ভার্সনের দ্রুতগতীর মোটর সাইকেলর সংখ্যাই উল্লেখযোগ্য। আর এসব মোটরসাইকেল নিয়ে প্রত্যহ সড়কে নামছে বিভিন্ন বয়সী অদক্ষ তরুনেরা। যাদের মধ্যে স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থী ও বখাটেরাও রয়েছে। এরা মোটরযান আইনের কোন তোয়াক্কা না করে সড়ক-মহাসড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। ঘটছে অহরহ দুর্ঘটনা। মোটরসাইকেল আরোহী বখাটে তরুনদের বেপরোয়া চলাচল ও মনোভাবে পথচারীরাও ত্যাক্তবিরক্ত হচ্ছে।

কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালক ও বখাটে তরুণদের অত্যাচারে ঘরের বাহিরে বের হওয়াটাই অনিরাপদ। এরা রাস্তায় মেয়েদের দেখলেই যেন দিশেহারা হয়ে উঠে। সকাল-বিকেল রাস্তায় হাটাতে গেলেও এদের বেপরোয়া চলাচলে আতঙ্কিত থাকতে হয়। কখন কে কার গাড়ে চেপে পরে। এছাড়া, মোটরসাইকেল নিয়ে কিছু-কিছু তরুনেরা দল বেঁধে প্রত্যহ বিকেলে বোয়ালী ব্রিজের রেলিংয়ের উপড় এমন ভাবে দাড়িয়ে থাকে। তাতে সাধারণ চলাচলে অনেকেই বাঁধাগ্রস্থ হয়। লাজ-লজ্জার ভয়ে এদের কেউ কিছু না বলায় দিনে-দিনে এরা আরোও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।

সম্প্রতি, মহাসড়কের পাটুরিয়া সংযোগ মোড়ে পুলিশের এক জন উর্দ্বত্বন কর্মকর্তার পার্কিংকৃত গাড়ীতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা দেয় এক কিশোর বাইকার। মোটরসাইকেল ও পার্কিংকৃত গাড়ীর সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গেলেও বাইকার প্রাণে রক্ষা পায়।
শিবালয় মডেল ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, অহরহ সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ বেপরোয়া মোটরসাইকেল চলাচল। যা এখন অনেক পরিবারের কাছে ‘প্রাণঘাতি’ যান হিসেবে পরিচিত। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ইতোমধ্যে অনেক যুবক মারা গেছে। তার পরেও এলাকায় মোটরসাইকেলের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।