শিবালয়ে মধ্যনগর হাই স্কুল যমুনায় বিলিনের পথে

শহিদুল ইসলাম !
শিবালয় উপজেলার মধ্যনগর চরে স্থাপিত রুস্তম হাওলাদার উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রি-তল ভবন যমুনার করাল গ্রাসে বিলিন হওয়া যেন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এবার বর্ষার শুরুতে নদী ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় প্রশাসন নানা ব্যবস্থা নিলেও গত এক সপ্তাহে পরিস্থিতি সম্পূর্ন পাল্টে যায়। গতকাল বুধবার শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আকবর, ইউএনও কামাল মোহাম্মদ রাশেদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউর রহমান জোয়ার্দার, তেওতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদের, প্রেসক্লাব সভাপতি বাবুল আকতার মঞ্জুর ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।
জানা গেছে, চরাঞ্চলে মাধ্যমিক শিক্ষা বিশেষ প্রকল্পের আওতায় শিবালয় ইউএনও পরে শিক্ষা সচিব পদে উন্নিত নজরুল ইসলাম খান (এনআই খান) মধ্যনগরে এ বিদ্যালয় স্থাপনে আগ্রহী হন। এতে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের পূর্বদিকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার জায়গা যমুনায় বিলিন হয়েছে। চলতি বন্যায় ভাঙ্গন ভয়াবহ রুপ নিলে উপজেলা প্রশাসন বিদ্যালয় ভবন রক্ষায় কিছু ব্যবস্থা গ্রহন করলেও তীব্র ¯্রােতে তা কোন কাজে আসছে না।
ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন কালে শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের জানান, যমুনার ভাঙ্গনে ত্রিশুরী, মধ্যনগর, আলোকদিয়া, চরশিবালয়, কানাইদিয়াসহ বিভিন্ন জায়গা বিলিন হয়েছে। রুস্তম হাওলাদার ও পার্শ্ববর্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩-তলা দুটি ভবন রক্ষায় জরুরী ব্যবস্থা নিতে উর্দ্ধতন মহলের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।
তেওতা ইউপি চেয়ারম্যান জানান, যমুনার তীব্র ভাঙ্গনে বিদ্যালয়ের পূর্বদিকের মাটি সরে যাচ্ছে। এতে কয়েক দিনে ধ্বসে পড়ার আশংকা রয়েছে। স্থানীয় লোকজন ভাঙ্গন আতঙ্ক বিশেষ করে চোখের সামনে প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুরম্ম ভবন বিলিন হওয়ার আশংকায় যার পর নেই হতাশা ও ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন।
অপরদিকে, পদ্মা যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরিচা পয়েন্টে গতকাল বুধবার তা বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। জাফরগঞ্জ বেরি বাঁধ-হাট, আরিচা পুরাতন ফেরি ট্রাক টারমিনাল, লঞ্চ ঘাট, পিসিপোল কারখানা, পাটুরিয়া ৪ নং ফেরি ঘাট এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

শিবালয়ে মধ্যনগর হাই স্কুল যমুনায় বিলিনের পথে
শহিদুল ইসলাম !
শিবালয় উপজেলার মধ্যনগর চরে স্থাপিত রুস্তম হাওলাদার উচ্চ বিদ্যালয়ের ত্রি-তল ভবন যমুনার করাল গ্রাসে বিলিন হওয়া যেন সময়ের ব্যাপার মাত্র। এবার বর্ষার শুরুতে নদী ভাঙ্গন রোধে স্থানীয় প্রশাসন নানা ব্যবস্থা নিলেও গত এক সপ্তাহে পরিস্থিতি সম্পূর্ন পাল্টে যায়। গতকাল বুধবার শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী আকবর, ইউএনও কামাল মোহাম্মদ রাশেদ, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শফিউর রহমান জোয়ার্দার, তেওতা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদের, প্রেসক্লাব সভাপতি বাবুল আকতার মঞ্জুর ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেন।
জানা গেছে, চরাঞ্চলে মাধ্যমিক শিক্ষা বিশেষ প্রকল্পের আওতায় শিবালয় ইউএনও পরে শিক্ষা সচিব পদে উন্নিত নজরুল ইসলাম খান (এনআই খান) মধ্যনগরে এ বিদ্যালয় স্থাপনে আগ্রহী হন। এতে প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা ব্যয় হয়। ইতোমধ্যে বিদ্যালয়ের পূর্বদিকে প্রায় অর্ধ কিলোমিটার জায়গা যমুনায় বিলিন হয়েছে। চলতি বন্যায় ভাঙ্গন ভয়াবহ রুপ নিলে উপজেলা প্রশাসন বিদ্যালয় ভবন রক্ষায় কিছু ব্যবস্থা গ্রহন করলেও তীব্র ¯্রােতে তা কোন কাজে আসছে না।
ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন কালে শিবালয় উপজেলা চেয়ারম্যান সাংবাদিকদের জানান, যমুনার ভাঙ্গনে ত্রিশুরী, মধ্যনগর, আলোকদিয়া, চরশিবালয়, কানাইদিয়াসহ বিভিন্ন জায়গা বিলিন হয়েছে। রুস্তম হাওলাদার ও পার্শ্ববর্তী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩-তলা দুটি ভবন রক্ষায় জরুরী ব্যবস্থা নিতে উর্দ্ধতন মহলের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে।
তেওতা ইউপি চেয়ারম্যান জানান, যমুনার তীব্র ভাঙ্গনে বিদ্যালয়ের পূর্বদিকের মাটি সরে যাচ্ছে। এতে কয়েক দিনে ধ্বসে পড়ার আশংকা রয়েছে। স্থানীয় লোকজন ভাঙ্গন আতঙ্ক বিশেষ করে চোখের সামনে প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুরম্ম ভবন বিলিন হওয়ার আশংকায় যার পর নেই হতাশা ও ক্ষোভ ব্যক্ত করেছেন।
অপরদিকে, পদ্মা যমুনায় পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় আরিচা পয়েন্টে গতকাল বুধবার তা বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। জাফরগঞ্জ বেরি বাঁধ-হাট, আরিচা পুরাতন ফেরি ট্রাক টারমিনাল, লঞ্চ ঘাট, পিসিপোল কারখানা, পাটুরিয়া ৪ নং ফেরি ঘাট এলাকা প্লাবিত হয়েছে।