শিবালয়ে লকডাউন কার্যকরে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন

মানিকগঞ্জ টাইম্স রিপোর্ট ॥

মানিকগঞ্জের শিবালয়ের বিভিন্ন স্থানে লকডাউন মানছেন না অনেকেই। লকডাউন কার্যকর করতে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। স্বেচ্ছায় স্বাস্থ্য বিধি ও লকডাউন মেনে চলার আহ্বান।

এ উপজেলার দুইটি গুরত্বপূর্ণ স্থান পাটুরিয়া ও আরিচা ঘাট। এ দুই ঘাট দিয়ে দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলে ২১ জেলার লোকজন যাতায়াত করে থাকে। সারা দেশে সকাল থেকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে লকডাউন ঘোষণা করেছে সরকার। ইতিমধ্যে উপজেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশ লকডাউন কার্যকর করতে সকাল থেকেই এ দুইটি ঘাটে অভিযান পরিচালনা করছে। সকাল থেকে দুপুর পর্য়ন্ত লকডাউন না মানায় ৫৫টি মামলায় প্রায় ৬০ হাজার টাকা জরিমান করা হয়। প্রশাসন ও পুলিশ চলে গেলেই স্বাস্থ্য বিধি না মেনে লোকজন ফেরি ও ট্রলারে পারাপার হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের দাবি বেলা বাড়ার সাথে সাথে টহল আরো জোরদার করা হ়েয়ছে।

উভয় ঘাটে লকডাউন উপেক্ষা করে রাজধানী ফেরত লোকজন ফেরি ও ট্রলার যোগে যে যার গন্তব্যে ফিরছে। এসময় প্রশাসনকে দেখলেই পালিয়ে যাচ্ছে তারা। সুযোাগ বুঝে আবার ঘাট পার হচ্ছে । যদিও ট্রলার মালিকদের শিবালয় ইউএনও ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে জরিমানা করেছেন। তার পরও পুলিশ প্রশাসনের সাথে চোখ এরিয়ে পারি জমানোর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিএম রুহুল আমীন রিমন বলেন, শিবালয় উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপুর্ণ হাট বাজার এলাকায় লকডাউন কার্যকর করার জন্য অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। সকাল থেকেই পাটুরিয়া আরিচা ঘাটসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় টহল দেওয়া হচ্ছে। দুপুর পর্যন্ত ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে লকডাউন কার্যকর করার জন্য টহল বাড়ানো হয়েছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র পাটুরিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক মো. আব্দুস সালাম জানান, পাটুরিয়া ঘাটে গত কয় দিনে জমে থাকা পন্যবাহী চার শতাধিক ট্রাক পারাপার করা হচ্ছে। কোন এম্বুলেন্স ও জরুরী পন্যবাহী গাড়ী ছাড়া বাকি যানবাহন পারাপার বন্ধ রয়েছে। লঞ্চ বন্ধ থাকায় কিছু যাত্রী ফেরিতে উঠে পরছে। শিবালয় থানার ওসি ফিরোজ কবীর জানান, লকডাউন কার্যকর করতে সকাল থেকেই থানা পুলিশ মাঠে রয়েছে। কেউ এ নির্দেশনা অমান্য করে বাহির বের হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।