শিবালয়ে শ্মশান ঘাট নির্মাণে সাম্প্রদায়ির দাঙ্গার আশংকা

শহিদুল ইসলাম ॥
শিবালয়ে শ্মশান ঘাট নির্মাণ কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে দাঙ্গা সৃষ্টির আশংকা করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ বন্ধের জন্য মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদয়ের কতিপয় লোকজন স্থানীয়দের বাঁধা উপেক্ষা করে জনবসতী এলাকায় অপরিকল্পিত ভাবে শ্মশাণ ঘাট (চিতাখোলা) নির্মাণ কাজ শুরু করে। ঘনবসতী এলাকায় শ্মশাণ ঘাট নির্মান কাজ শুরু করায় স্থানীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নির্মাণ কাজ বন্ধের দাবী জানিয়ে স্থানীয়রা মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গণস্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে প্রকাশ, ঘণবসতীপূর্ণ এলাকার মাঝে শ্মশান ঘাট নির্মাণ করা হলে নিকটস্থ মসজিদ, মাদ্রাসা, গালস্ স্কুল, শিশু একাডেমি ও রাস্তার দু’ধারে অসংখ্য বাড়ী-ঘড়ে পরিবেশগত প্রভাব পড়বে। চিতাখোলায় দাহক্রিয়ার সময় নিকটস্থ বাড়ী-ঘরসহ ধাতব্য প্রতিষ্ঠান গুলোর কার্যক্রমে মারাতœক ব্যাঘাত ঘটবে। এতে, স্থানীয় হিন্দু-মসুলিমদের মধ্যে বিভেদ ও দাঙ্গার সৃষ্টির আসংকা করা হচ্ছে।
এহেনও পরিস্থিতিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শান্তি প্রীয় এলাকাবাসী।
শিবালয়ে শ্মশান ঘাট নির্মাণে সাম্প্রদায়ির দাঙ্গার আশংকা
শহিদুল ইসলাম ॥
শিবালয়ে শ্মশান ঘাট নির্মাণ কেন্দ্র করে স্থানীয় হিন্দু-মুসলিমের মধ্যে দাঙ্গা সৃষ্টির আশংকা করা হচ্ছে। নির্মাণ কাজ বন্ধের জন্য মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসী।
জানা গেছে, উপজেলার মহাদেবপুর ইউনিয়নের উত্তরপাড়া গ্রামের হিন্দু সম্প্রদয়ের কতিপয় লোকজন স্থানীয়দের বাঁধা উপেক্ষা করে জনবসতী এলাকায় অপরিকল্পিত ভাবে শ্মশাণ ঘাট (চিতাখোলা) নির্মাণ কাজ শুরু করে। ঘনবসতী এলাকায় শ্মশাণ ঘাট নির্মান কাজ শুরু করায় স্থানীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। নির্মাণ কাজ বন্ধের দাবী জানিয়ে স্থানীয়রা মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পরিবেশ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে গণস্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে প্রকাশ, ঘণবসতীপূর্ণ এলাকার মাঝে শ্মশান ঘাট নির্মাণ করা হলে নিকটস্থ মসজিদ, মাদ্রাসা, গালস্ স্কুল, শিশু একাডেমি ও রাস্তার দু’ধারে অসংখ্য বাড়ী-ঘড়ে পরিবেশগত প্রভাব পড়বে। চিতাখোলায় দাহক্রিয়ার সময় নিকটস্থ বাড়ী-ঘরসহ ধাতব্য প্রতিষ্ঠান গুলোর কার্যক্রমে মারাতœক ব্যাঘাত ঘটবে। এতে, স্থানীয় হিন্দু-মসুলিমদের মধ্যে বিভেদ ও দাঙ্গার সৃষ্টির আসংকা করা হচ্ছে।
এহেনও পরিস্থিতিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শান্তি প্রীয় এলাকাবাসী।