শিবালয়ে সিসিডিবি’র কৃষি বন্ধু চুলা বিতরণ

মানিকগঞ্জ টাইমস রিপোর্ট

মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার বায়োচার প্রজেক্টের কয়ড়া কর্ম এলাকার গৃহিণীদের মাঝে ”কৃষি বন্ধু চুলা” বিতরণ করেন।

বৃহস্পতিবার (২৭ মে) এ উপজেলার প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ৯ জন গৃহিনীকে এ চুলা প্রদান করা হয়।

শিবালয় উপজেলার কৃষি অফিসের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অনুপম কুমার মৌলিক, মহিলা মেম্বার মিসেস সেলিনা আক্তারসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন ‘কৃষি বন্ধু চুলায়’ রান্না করে করে নানাবিধ উপকার পাওয়া যায় ।  অতিরিক্ত ব্ইা প্রোডাক্ট হিসেবে যে বায়োচার পাওয়া যায়। বায়োচার  বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। বায়োচার মাটিতে ব্যবহার করলে মাটির কার্বন বা জৈব উৎপাদান বৃদ্ধি পায়, লবনাক্ততা হ্রাস করে, পানি ধারন ক্ষমতা বাড়ে, রাসায়নিক সারের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়, পুষ্টি উৎপাদান ধরে রাখে, মাটির বিষাক্ত পদার্থ ফসলে আসতে দেয় না, মাটিতে অবস্থানকারী অনুজীবের সংখ্যা বৃদ্ধি করে। বায়োচার ব্যবহার বৃদ্ধি  জন্য সিসিডিবির কৃষি বন্ধু চুলা বাজারজাতকরণ খুব দরকার। কৃষি বন্ধু চুলার ব্যবহার বৃদ্ধি পেলে বেশি বায়োচার উৎপাদন ও ব্যবহার যাবে। বায়োচার ব্যবহার করে কৃষক লাভবান হবেন।

এ প্রসঙ্গে সিসিডিবির বায়োচার প্রজেক্টের কো-অর্ডিনেটর সমিরন বিশ্বাস বলেন, বায়োচার এক ধরনের চার বা কয়লা যার মধ্যে শতকরা ৩০-৫৫ ভাগ কার্বন থাকে। এ কয়লা এক ধরনের চুলা (কৃষি বন্ধু চুলা) ৩০-৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় স্বল্প অক্সিজেনের উপস্থিতিতে এবং পাইরোলাইসিস পদ্ধতিতে বায়োমাস (কাঠ, খড়-কুটা এবং কৃষি বজ্য) পুড়িয়ে বায়োচার তৈরী করা হয়।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সিসিডিবি’র বায়োচার প্রকল্পের মাঠ পর্যায়ে বায়োচার ব্যবহারকারী কৃষকের জমিতে ডেমো স্থাপন, বায়োচারের কার্যকারিতা পরীক্ষণ ও বায়োচার ব্যবহার এবং গবেষনা কাজের সাথে বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট, পাট গবেষনা ইনস্টিটিউট, হাজী দানেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরে-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্পৃক্ত রয়েছেন।