সাভারে বায়োচার ও কার্বন সমৃদ্ধ জৈব সার বানিজ্যিকীকরণে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

 

সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি:

ঢাকার সাভারে “বায়োচার ও কার্বন সমৃদ্ধ জৈব সার বানিজ্যিকীকরণ বিষয়ক ব্যবসা পরিকল্পনা উন্নয়ন” ২দিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ ৩১ মে সমাপ্ত হয়েছে। ।

সিসিডিব বায়োচার প্রজেক্টের উদ্দ্যেগে সিসিডিবি হোপ সেন্টার প্রশিক্ষণ কক্ষে ”বায়োচার ও কার্বন সমৃদ্ধ জৈব সার বানিজ্যিকীকরন বিষয়ক ব্যবসা পরিকল্পনা উন্নয়ন” প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষনের প্রথম দিনে উপস্থিত ছিলেন বায়োচার প্রজেক্টের মিডিয়া পার্টনার এবং জনপ্রিয় মিডিয়া ব্যক্তিত্ব, বাংলাদেশ টেলিভিশনের কৃষি বিষয়ক জনপ্রিয় অনুষ্ঠান মাটি ও মানুষের নিয়মিত উপস্থাপক দেওয়ান সিরাজ।

সিসিডিবি’র বায়োচার প্রকল্পের সমন্বয়কারী মিঃ সমীরন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে উপস্থিত ছিলেন বায়োচার প্রজেক্টের কেন্দ্রীয় অফিসের টেকনিক্যাল অফিসার মিঃ কৃষ্ণ কুমার সিংহ, মনিটরিং অফিসার এ্যাডলিনা রিচেল বৈদ্য, শিবালয় কর্ম এলাকার মার্কেটিং অফিসার মোঃ আবু সুফিয়ান, মার্কেটিং এ্যাসিসট্যান্ট মোঃ রাকিব হোসেন, মান্দা কর্ম এলাকার মার্কেটিং অফিসার মিঃ নির্মল টুডু এবং বায়োচার এন্টাপ্রাইজ শিবালয় ও মান্দা কর্ম এলাকার ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা কমিটির ১০ জন সদস্য। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা আইসিসিও এবং কার্ক ইন এক্টাই এর আর্থিক সহায়তায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

দুই দিনব্যাপী উক্ত প্রশিক্ষণের প্রথম দিনে বায়োচার প্রজেক্টের কো-অর্ডিনেটর মিঃ সমীরন বিশ্বাস স্বাগত বক্তব্য ও প্রশিক্ষণের উদ্ধোধন ঘোষণা করেন এবং প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য, দল, এন্টারপ্রাইজ, মার্কেট যাচাই, মার্কেট ম্যাপিং, গঠনতন্ত্র, ব্যবসা পরিকল্পনা, উদ্যোক্তা, উদ্যোক্তার কার্যক্রম, উদ্যেক্তার গুনাবলী ইত্যাদি সম্পর্কে দিন ব্যাপি বিস্তাারিত আলোচনা করেন।

প্রশিক্ষণের দ্বিতীয় দিনে উপস্থিত ছিলেন সিসিডিবি হোপ সেন্টারের সম্মানিত ম্যানেজার মিঃ কালিপদ সরকার। তিনি প্রশিক্ষনার্থীদের মাঝে কৃষিক্ষেত্রে বায়োচার প্রযুক্তির ব্যবহার ও সম্প্রসারণ এবং ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়ন বিষয়ে গুরত্বপূর্ণ আলোচনা করেন।
কৃষিক্ষেত্রে বায়োচার প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এবং অদূর ভবিষ্যতে বায়োচার প্রযুক্তি হবে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের একমাত্র হাতিয়ার বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি।

প্রশিক্ষণের সমাপনীতে সোস্যাল মিডিয়া স্কাইপি’র মাধ্যমে যোগদান করেন আইসিসিও’র এশিয়া জোনের প্রকল্প প্রধান মোঃ আবুল কালাম আজাদ। তিনি অংশগ্রহনকারীদের কাছে বাজারে বায়োচারে চাহিদা সম্পর্কে জানতে চান এবং অংশগ্রহনকারীদের জবাবে সন্তোষ প্রকাশ করেন। করোনা মহামারীর মধ্যেও বায়োচার প্রকল্পের বর্তমান কার্যক্রমের প্রতি তিনি সন্তুষ্ট হন এবং ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

এ প্রশিক্ষণটিতে অংশগ্রহনকারীগন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং খাদ্যে স্বাবলম্বীতা অর্জনে মাটির স্থায়ী স্বাস্থ্য রক্ষায় বায়োচার ও কার্বন সমৃদ্ধ জৈব সার তথা বায়োচার প্রযুক্তির ব্যবহার এবং বানিজ্যিকীকরণ বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি ব্যবসায় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে তাদের ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান সফলভাবে পরিচালনা করতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রকল্পের সমন্বয়কারী।